ব্যক্তিগত তথ্য ও পুলিশি তদন্ত সংক্রান্ত প্রশ্ন সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার অভিযোগ তুলে এবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তদন্তের গোপন তথ্য, জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়গুলি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করে দেওয়া হচ্ছে। একদিকে যেমন তদন্ত প্রভাবিত হচ্ছে, তেমনই মর্যাদাক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে আদালতে জানান অভিষেকের আইনজীবী। গোপনীয়তার অধিকার মনে করিয়ে এই ধরনের সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন জানান ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। অভিষেকের এই আবেদনে হস্তক্ষেপই করল না হাই কোর্ট। উপযুক্ত বেঞ্চে মামলার পরামর্শ বিচারপতি কৃষ্ণ রাওযের৷
এদিন আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আবেদন করেন, “আমার বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে। আমার অধিকার আছে আমার ব্যক্তিগত তথ্য যাতে বাইরে না আসে, তদন্তের অগ্রগতি বা তল্লাশি সব কিছু মিডিয়ার সামনে আসা বাঞ্ছনীয় নয়। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা ও কিছু প্রাইভেট মিডিয়া সেগুলি প্রকাশ্যে আনছে। যার ফলে সার্বিক তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে।”
এরপরেই ‘সম্মানহানি’র প্রসঙ্গে তুলে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। বলেন, “আমার মানসম্মান আছে। দুর্নাম করতে তথ্য সামনে আনা হচ্ছে। একটি গাইডলাইন থাকা দরকার। তদন্তকারীরা কী জিজ্ঞাসা করছে, তাও সামনে আসছে। এর আগেও এই আদালত এমন নির্দেশ দিয়েছে। মিডিয়া আমার বিরুদ্ধে প্রচার করছে। তদন্তকারী সংস্থা আমার বিরুদ্ধে কিছু তথ্য ফাঁস করছে। আমার সম্মানের বিনিময়ে ফুটেজ তৈরি হচ্ছে।”
যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ করে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। তাঁর বক্তব্য ছিল, “এতে আদালত কী হস্তক্ষেপ করবে? এই বিষয়ে আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত নই। পুলিশের সম্পর্কিত বিষয় হলে আদালত সেই মামলা শুনতে পারে না। আমি মামলা খারিজ করছি না। আপনাদের বলব, উপযুক্ত বেঞ্চে গিয়ে মেনশন করুন।” এরপরই মামলা ছেড়ে দেন বিচারপতি রাও।
যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ করে দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। তাঁর বক্তব্য ছিল, “এতে আদালত কী হস্তক্ষেপ করবে? এই বিষয়ে আদালতের এক্তিয়ারভুক্ত নই। পুলিশের সম্পর্কিত বিষয় হলে আদালত সেই মামলা শুনতে পারে না। আমি মামলা খারিজ করছি না। আপনাদের বলব, উপযুক্ত বেঞ্চে গিয়ে মেনশন করুন।” এরপরই মামলা ছেড়ে দেন বিচারপতি রাও।