বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাড়িতে আত্মীয়েরা রয়েছেন। তাঁরাই প্রকৃত অভিভাবক। তিনিও অভিভাবকের মতো ওই দম্পতির একমাত্র পুত্রের অভিভাবকের দায়িত্ব নিতে চান। সেই প্রস্তাব তিনি দিয়েছেন। তিনি জানান, ওই ঘটনায় মৃত্যু হওয়া ১৮ জনের বাড়িতেই তিনি যাবেন। এটা তাঁর কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
এ দিন বরাহনগরের আগে মুখ্যমন্ত্রী নিউ ব্যারাকপুর লেনিনগড় এলাকায় চোরবাগানের ঘটনায় মৃত প্রিয়া সমাদ্দারের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হয়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি ভাবে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে। মেয়েটির মাকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। বাড়িতে ছোট মেয়ে রয়েছে। সেই মতো পরিবারের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসনকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এর পরে তিনি চোরবাগানের দুর্ঘটনায় মৃত প্রাঞ্জল সরকারের আগরপাড়ার বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু।