নেই উত্তর, বারবার ডেডলাইন পার! চতুর্থবার স্পিকারের কাছে সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা


# নেই উত্তর, বারবার ডেডলাইন পার! চতুর্থবার স্পিকারের কাছে সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

বারবার সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে জবাব জমা দিতে পারলেন না সাংসদরা। ফের দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ ২০ জন সাংসদ। আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। কিন্তু সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট সাংসদদের তরফে কোনও জবাব জমা পড়েনি বলে খবর। এই নিয়ে চতুর্থবার সময় চাওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, গত ২২ সেপ্টেম্বর লোকসভার অধ্যক্ষের দপ্তরের তরফে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁদের বক্তব্য বা জবাব জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে জবাব জমা পড়েনি। এরপর ফের সময় চাওয়া হলে অধ্যক্ষের তরফে আরও সময় দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমাও পেরিয়ে যায়। এবার নতুন করে আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন সাংসদরা।

এই নিয়ে পরপর চারবার সময় চাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। প্রথমে ৮ অক্টোবর ছিল জবাব দেওয়ার শেষ দিন। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২০ অক্টোবর করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না আসায় ফের আবেদন জানানো হয়েছে। এবার ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদার-সহ ২০ জন সাংসদ। তবে তাঁদের আবেদনে অধ্যক্ষ শেষ পর্যন্ত সম্মতি দিয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বারবার সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব জমা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না? সংশ্লিষ্ট সাংসদদের তরফে কী কারণে বারবার সময় চাওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য বা সময় চাওয়ার বিস্তারিত কারণ স্পষ্ট না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাচ্ছে না।

লোকসভার অধ্যক্ষের দপ্তর থেকে প্রথমে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে একাধিকবার তা বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে। সংসদীয় প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত সময়ের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বিশেষ করে, একবার নয়, পরপর চারবার সময় চাওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এখন নজর রয়েছে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হয় কি না, নাকি সংশ্লিষ্ট সাংসদদের দ্রুত জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, সেটাই দেখার। একই সঙ্গে, এতবার সময় চাওয়ার পরও কেন জবাব জমা পড়েনি, সেই প্রশ্নের উত্তরও খুঁজছে রাজনৈতিক মহল।

Post a Comment

Previous Post Next Post