স্বাস্থ্য় দফতর সূত্রে খবর, চলতি বছর রাজ্য়ে মোট ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন, ১২ হাজার ৮৮৯। ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত মৃত্য়ু হয়েছে ১৫ জনের। এখনও চিকিৎসাধীন ২৯০ জন। ডেঙ্গিতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত ৬ জেলা, প্রথমেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মালদা। কিন্তু পরিস্থিতি এতটা উদ্বেগের হল কেন? জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কাজলকৃষ্ণ বণিক বলছেন, 'আশঙ্কা ছিল। কাজ করার একটা চেষ্টা ছিল কিন্তু চেষ্টার সঙ্গে আন্তরিকতার অভাব ছিল। স্বাস্থ্য়ের মতো বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য়ের মতো বিষয়, আন্তরিকতার সঙ্গে সকলকে নিয়ে কাজ করার যে পরিকল্পনা থাকা উচিত, সেখানেই গলদ ছিল।'
আবহাওয়ার তারতম্য এবং জমা জলই মশার বংশবৃদ্ধির মূল কারণ। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, সচেতন থাকতে হবে সবাইকে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অপূর্ব ঘোষ বলছেন, 'ভয় তো সব সময়ই একটা করে কারণ ডেঙ্গু খুবই অনিশ্চিত। কাকে কী ভাবে ফেলে দেবে ডেঙ্গুটা সেটা কেউ বলতে পারে না। প্রথমবার ডেঙ্গু হলে ধরে নেওয়া যায় যে কিছু হবে না। দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু কাকে কী ভাবে প্রভাব ফেলবে, কেউ জানে না কারণ ডেঙ্গু তো হাজার হলেও একটা রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া।'
এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলছেন, 'আবহাওয়া পরিবর্তন হবে, শীত পড়বে, এটা (ডেঙ্গু) কমেও যাবে। আমরা অনেকটা চেষ্টা করেছি। আমি সন্তুষ্ট নই কিন্তু গতবছরের তুলনায় এবারের সংখ্য়া মানে ডেঙ্গি আক্রান্ত এবং মৃত ২টোই অনেক কম। অনেক কম।' স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠকের পর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকার ও পুরসভাগুলো কী কী নতুন পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার।