কাল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে লালবাজার।
চোরবাগানে দুর্গাপুজোয় বেনজির বিপর্যয় ঘটেছিল। পুজোর রোশনাইয়ের মধ্যেই, চিরতরে চলে গিয়েছে ১৯ জনের প্রাণ। সিঁদুর না খেলে চোখের জলে বিদায় জানানো হয় মাতৃপ্রতিমাকে। চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা বিসর্জন করা হয় শনিবার। মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করতে আনা হয়েছিল ৪০ জন কুলিকে। বিসর্জনের গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে।
বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় চোরবাগান সর্বজনীনের প্রতিমা । মণ্ডপের মূল অংশ অক্ষত রেখেই বের করা হয় প্রতিমা। নিমতলা ঘাটে হয় চোরবাগানের প্রতিমা নিরঞ্জন। মায়ের দর্শন পেতে শনিবারও ভিড় এলাকায়। মাকে বিদায় জানাতে ভিড় স্থানীয়দের। কারও কারও গলায় বিষাদের সুর, কারও চোখে জল। চোরবাগানের পুজোয় মাকে বরণ করতে পারেননি মহিলারা। এক স্থানীয়ের কথায়, 'খুব খারাপ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। যা হয়েছে এরপর আর কী করার আছে। যা হল খুব খারাপ হল। বরণ হল না, মায়ের কী খুঁত হল সেটাও আমরা জানিনা। সপ্তমীর বিকেল পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। বৃষ্টিতেই নিয়তি টেনে নিয়ে গেল সব। মা আমাদের ক্ষমা করে যাক।'