লরেটো এডুকেশনের ডিরেক্টর নন্দিনী ভট্টাচার্য জানান, স্কুলের অধ্যক্ষ সিস্টার বৈশাখী মণ্ডল গত এক বছর ধরে এই বিষয়টি নিয়ে সমীক্ষা করেছেন। অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারপরই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আধুনিক সময়ের দাবি মেনে এবং লিঙ্গসাম্য বজায় রেখে শিক্ষার সুযোগ সকলের কাছে পৌঁছে দিতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ। স্কুল সূত্রের খবর, হঠাৎ করে নয়, অনেক ভেবেচিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নন্দিনীর পর্যবেক্ষণ, ‘‘লরেটোর মেয়েদের নীতি শিক্ষার উপর অত্যন্ত জোর দেওয়া হয়। আমরা চাই বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে ছেলেদের মধ্যেও ‘মরাল ভ্যালুস’ ষোলআনা থাকুক।’’
জানা গিয়েছে, প্রাথমিক স্তরে কেবল উচ্চমাধ্যমিক অর্থাৎ একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ছেলেদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে। আগামী এক বছর ধরে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোয় প্রয়োজনীয় বদল আনা হবে। সহশিক্ষার সম্পূর্ণ উপযোগী করে তোলা হবে। ছেলেদের জন্য আলাদা শৌচাগার নির্মাণ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ এই সময়ের মধ্যেই শেষ করা হবে।