তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “আপনার কাছে অভিযোগ থাকলে সিবিআইয়ের কাছে যান।” তাঁর কটাক্ষ, “রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবিতে রাষ্ট্রসঙ্ঘে যান। ওগুলো পুরনো কথা। বাংলার মানুষ তৃণমূলের পাশে আছে।” ‘পশ্চিমবঙ্গ ঐক্যবদ্ধ ছাত্র যুবসমাজ সংগঠনে’র তরফে রবিবার কলকাতায় একটি সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেত্রী রাজন্যা হালদার। সেখানেই হাজির হয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, রাজ্যে অনেক কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই সামনে আসবে আরও বড় কেলেঙ্কারি। তখন পথে নেমে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তোলা উচিত।
সাংসদ বলেন, “আমার মনে হয় এই সরকার আইনগতভাবে ক্ষমতায় রয়েছে। আশা করি এর মধ্যেই কিছু কেলেঙ্কারি ফাঁস হবে। তখন আবার একটা জোরদার আওয়াজ উঠবে। আমার মতে সেই কেলেঙ্কারি ফাঁস হলে, ৭২ ঘণ্টা বনধ ডাকা উচিত। যতক্ষণ না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করছেন, যতক্ষণ না রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিক্ষোভ চলা উচিত।”