যন্তর মন্তরের সামনে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে ছাত্রবিক্ষোভের সময় ‘দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব’ নিয়ে এ বার সরব আক্রান্ত পুলিশকর্মীদের পরিবার। শুক্রবার একাধিক পুলিশ আধিকারিকের পরিবারের সদস্য দিল্লিতে একজোট হয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। সংসদ ভবন অভিযান এবং তার পরবর্তী সময়ে তাঁদের উপর কী পরিমাণ মানসিক চাপ পড়েছে, কতটা আতঙ্কে তাঁদের দিন কাটাতে হয়েছে, তা ব্যাখ্যা করেন আক্রান্ত কর্মীদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা। অভিযোগ, সিজেপি-র কর্মসূচিতে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে পুলিশকর্মীরা মার খেয়েছেন। অনেককে হাসপাতালেও ভর্তি করাতে হয়েছে। বিচার চেয়ে আক্রান্তদের পরিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের এক সাব-ইনস্পেক্টরের কন্যা জানান, যন্তর মন্তরের সামনে তাঁর বাবাকে পিটিয়ে মেরেই ফেলা হচ্ছিল প্রায়। বেধড়ক মারধরের অভিযোগ করেছেন তিনি। মারের চোটে ওই পুলিশ আধিকারিক হাসপাতালে ছিলেন। চার ঘণ্টা তাঁর জ্ঞান ছিল না। তরুণীর কথায়, ‘‘পুলিশে যোগ দেওয়ার আগে আমার বাবা নৌসেনায় কাজ করতেন। ১৫ বছর চাকরি করেছেন। যন্তর মন্তরের মূল বিক্ষোভস্থলে আমার বাবা ছিলেন। ব্যারিকেডের কাছে একেবারে সামনের সারিতে ছিলেন। প্রচুর ভিড় ছিল। রোজই বাড়ি ফিরে বলতেন, এটা আর শুধু ছাত্রদের আন্দোলন নেই। অনেক সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হচ্ছে এখান থেকে। এসব শুনে আমাদের চিন্তা আরও বেড়ে যেত।’’ ২৫ জুলাই ভিড়ের মধ্যে পড়ে ওই এসআই মার খান বলে অভিযোগ। তাঁর কন্যার কথায়, ‘‘যন্তর মন্তরের মূল মঞ্চের সামনে বাবাকে প্রায় পিটিয়ে মেরেই ফেলছিল ওরা। দুপুর ২টোর সময় ওঁকে মারধর করা হয়। হাসপাতালে চার ঘণ্টা তিনি সংজ্ঞাহীন অবস্থান ছিলেন। রাত ১০টা নাগাদ সহকর্মীরা ওঁকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। উর্দি পুরো রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল।’’