শিমলা-সহ একাধিক জেলা কেঁপে ওঠে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS)-র সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ভোর ৫টা ৪৬ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে শিমলা অঞ্চলে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.০।
NCS-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। শিমলা থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। স্থানীয় সূত্রে খবর, ভোরের দিকে আচমকা কম্পন অনুভূত হয়। তারপর শিমলা-সহ হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। তারা কেউ কেউ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সোলন, সিরমৌর, বিলাসপুর এবং মান্ডি জেলার বিভিন্ন অংশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনও তথ্য সামনে আসেনি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বুধবার ভোরেই হিমাচল প্রদেশে আরও একটি কম মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে NCS। সরকারি তালিকা অনুযায়ী, ভোর ৪টা ৩৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে চাম্বা এলাকায় ২.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। অর্থাৎ, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে হিমাচল প্রদেশে পরপর দুটি ভূমিকম্প হল। যার মধ্যে শিমলা অঞ্চলের ৪.০ মাত্রার কম্পনটিই ছিল বেশি শক্তিশালী।
ভূমিকম্পপ্রবণ পাহাড়ি অঞ্চল হিসেবে হিমাচল প্রদেশে এ ধরনের কম্পন নতুন নয়। তবে কোনও ভূমিকম্পের পর আফটারশকের আশঙ্কা থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।