দেখতে দুধ, আসলে বিষ! ১০০ লিটার দুধের প্রায় ৮০ শতাংশই ভেজাল। নবদ্বীপে একটি দুধ কারখানায় হানা দিতেই চোখ কপালে পুলিশের। বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক, পাউডার, ওষুধ, লিকুইড উদ্ধার হয়েছে। কারখানাটি বন্ধ করে দেয় নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা।
নবদ্বীপের মহিশুড়া ঘোষপাড়া কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় হানা দেওয়াকে ঘিরে মঙ্গলবার রাতে চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, ওই কারখানায় ভেজাল দুধ তৈরি হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হানা দিয়ে পুলিশ দেখতে পায় সেখানে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক, পাউডার, ওষুধ, লিকুইড ছড়িয়ে। তরল দুধ তৈরির জন্য সেগুলি ব্যবহার করা হত। গোটা কারখানা তল্লাশির পুলিশই ঝাঁপ ফেলে দেয়। কারখানা থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বিজেপি নেতা শশধর নন্দীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় ভেজাল দুধ তৈরির কাজ চলছিল। তাঁর দাবি, মাত্র ২০ লিটার ভালো দুধের সঙ্গে ছানার জল, বিভিন্ন রাসায়নিক, ওষুধ ও অ্যাসিড মিশিয়ে প্রায় ১০০ লিটার তরল দুধ তৈরি করা হত। পরে সেই দুধ প্যাকেট ও কন্টেনারে ভরে বিভিন্ন এলাকায় এবং ছোট দুধের সংস্থায় সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ। শশধর নন্দী জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে রাসায়নিক মিশিয়ে তরল দুধ তৈরির কাজ দেখতে পান তাঁরা। যে ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, তিনি কারখানার মালিকের ভাগ্নে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে বলেও জানান তিনি।