বিষয়টা ঠিক কী? নবান্ন সূত্রে খবর, পুজোর মেনুতে কী থাকবে আর কী থাকবে না, তা নিয়ে আমজনতার উপর কোনও নির্দেশ চাপানোর কথা ভাবছে না রাজ্য। তবে হ্যাঁ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে তাঁদের মতাদর্শের ভিত্তিতে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কারণ, তাঁরা মনে করে দুর্গাপুজোর মণ্ডপ ও মাতৃপ্রতিমার আশপাশের এলাকা আমিষ খাবার এলে তা ‘অপবিত্র’। কিন্তু রাজ্য আমিষ খাবারে কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা লাগু করতে চায় না। ফলে নবমীতে পাঠার মাংসের ঝোল থেকে দশমীর জোড়া ইলিশ, কোনও কিছুতেই বাধা থাকবে না।
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো কমিটি গুলোর সঙ্গে মিটিং করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পুজো সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, সেই বৈঠকেই আমিষ নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দিতে পারেন যে পুজোয় কবজি ঢুবিয়ে আমিষ ভোজনে কোনও সমস্যা নেই।