‘বিদ্যাসাগর শিক্ষা সম্মান ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এখন অনেক পড়ুয়াই অভিভাবকদের নজর এড়িয়ে রাত পর্যন্ত মোবাইল ব্যবহার করছে। অনেক ক্ষেত্রে রাত দেড়টা-দুটোর আগে তারা ঘুমোতে যাচ্ছে না। এর ফলে পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে না, পরের দিন পড়াশোনায় মনোযোগ কমছে এবং দীর্ঘমেয়াদে তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশও বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।’
মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুজরাটের উদাহরণও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর সংযোজন, ‘সেখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের হাতে মোবাইল ফোন দেওয়া হয় না অথবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।’ এ রাজ্যেও মোবাইল আসক্তির সমস্যা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
তবে এই আবহে শিশু–কিশোরদের মধ্যে মোবাইল আসক্তির সমাধান শুধুমাত্র সরকারের হাতে নয় বলে এ দিন ইঙ্গিত দেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সমাজের প্রত্যেক স্তরকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। তা না হলে শিক্ষক দিবসের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন পালনের প্রকৃত উদ্দেশ্যও ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারাবে।