শারীরিক (অর্থোপেডিক) দিক দিয়ে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ বিশেষ ভাবে সক্ষম ওই যুবকের ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি উদয় কুমারের বক্তব্য, কোনও বিশেষ ভাবে সক্ষম সন্তান সাবালক হওয়ার পরে ভরণপোষণ পেতে তাঁকে নতুন করে মামলা দায়ের করতে বাধ্য করা যায় না।
মামলার সূত্রপাত ২০০৫–এ। স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী ভরণপোষণের মামলা করেন। সাবালক হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নাবালক ছেলের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা ভরণপোষণ মঞ্জুর করেছিল নিম্ন আদালত। ২০১৬–য় হাইকোর্টও সেই নির্দেশ বহাল রাখে। ছেলে সাবালক হলে তাঁর মা ফের আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর দাবি, জন্মগত ও গুরুতর অর্থোপেডিক সমস্যার কারণে ছেলে এখনও নিজের ভরণপোষণ চালাতে অক্ষম।
তার বিরোধিতা করে বাবার দাবি ছিল, ছেলে সাবালক হওয়ার পরে মায়ের আর মামলা চালানোর অধিকার নেই। নতুন করে মামলা করতে হবে। ছেলের হাঁটাচলা করা এবং আইটিআই-তে কারিগরি প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়। সেই যুক্তি খারিজ করে হাইকোর্ট জানায়, কারও হাঁটতে পারা বা কারিগরি প্রশিক্ষণ নেওয়া মানেই তিনি উপার্জনক্ষম বা আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর — এমনটা ধরে নেওয়া যায় না। প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে নিজের জীবনধারণের মতো আয় করার বাস্তব সক্ষমতাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।