মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনাতে, এই জেলায় ২৫ থেকে ৬০, মহিলা, দিদি, বোনেরা, আবেদন করেছিলেন ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৭৮১ জন।এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে অ্যাপ্রুভ হয়েছে, ১১ লক্ষ ৫৬ হাজার, ৩৩২ জন। আন্ডার প্রসেস কয়েকজন আছে। রিজেক্ট হয়েছে ১৭ হাজার ৪৫ জন। ভেরিফিকেশন পেন্ডিং, ১০ হাজার ৭১৪ । টোটাল আমাদের ক্রেডিট হয়েছে, ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৩১ । বাকি যাদের ভেরিফিকেশনে অ্যাপ্রুভ হয়েছে, তাঁদের পুজোর আগে বাকিদেরকেও টাকা ট্রান্সফার করে দেবো। ৯ লক্ষ ৫২ হাজার ইতিমধ্যে পেয়েছেন। ১৫টি বিধানসভা, হিসেব করে দেখুন, গড়ে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার করে, একেকটা বিধানসভায় দিদি বোনেরা পেয়েছেন।’তিনি আরও বলেন, আরও যারা যোগ্য আছেন, তাঁদেরকেও আমরা দিয়ে দেবো। ৫০০ টাকা দিত আগের সরকার। ৯ মাস লেগেছিল, আমাদের তো ৫ মাসও হয়নি, তার মধ্যে ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলাকে দিয়েছি। এই জেলার ৯ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৩১ জন, দিদি এবং বোনের অ্যাকাউন্টে, টাকা গিয়েছে, বাকি যোগ্যরাও, আপনারা আগামী মাসে পেয়ে যাবেন। এই সরকারকে দুইহাত ভরে আশীর্বাদ করুন। আমরা বয়স্কদের ভাতা আরও বাড়াব। '
’মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই বালিঘাটগুলিকে, নিলাম করতে বলেছি। আগে ৫টা সরকারি ঘাট ছিল। ৫০০ টা অবৈধ ঘাট ছিল।এখান থেকে টাকা তুলে, ক্যামাকস্ট্রিটে পৌঁছে দিত।...এরাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছে মানুষ। ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া হচ্ছে, ৩১৭ রকমের কাজ করতে পারবেন। বিগত সরকারের জমানায় জল-জীবন মিশনের টাকা লুঠ হয়েছে। ওই প্রকল্পেও এবার মানুষ কাজ করতে পারবেন। প্রত্যেক জব কার্ড হোল্ডার যেন ১২৫ দিনের কাজ পান তা নিশ্চিত করতে হবে। কাজের বিনিময়ে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন তাঁরা। জমির পাট্টা যাঁরা পাননি, তাঁদের অবিলম্বে পাট্টা দিতে হবে। কারণ, আবাস যোজনায় তাঁদের বাড়ি দিতে চাই। আগের সরকার বাড়ির প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে গেছিল। তখন আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। অনেক টাকা লুঠ হয়েছে। তাই, বাড়ি তৈরি করা হয়েছে কি না তার ভেরিফিকেশন হয়েছে। তারপর দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দিয়ে দিয়েছি। যারা দুর্নীতি করেছেন, তাদের ধরব, টাকাও ফেরত নেব। আমরা বালিঘাট গুলিকে নিলাম করতে বলেছি।'