হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমার শেষ দিন হতে পারে ৬ অক্টোবর। কিন্তু একটা মুসলমান বুথে ভোট লুঠ করতে দেব না। আমার উপর গুলি চললে চলবে, আমি নিহত হব। কিন্তু আমি রুখব। মুসলমান সমাজকে বলব, তাঁদের ভোট দিতে যদি পুলিশ বাধা দেয়, কোনও গুন্ডা বাধা দেয়, আমি হুমায়ুন কবীর ময়দানে থাকব।’ প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন? হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘হতে পারে, কোচবিহারে তো কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালিয়েছিল।’ তাঁর পাল্টা তোপ, ‘যদি কেউ গুলি চালায়, আমিও মোকাবিলা করব।’
গত বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর - দুই আসনেই দাঁড়িয়ে জিতেছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে নওদা আসনটি রেখে, রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই আসনেই উপনির্বাচন রয়েছে। রেজিনগর আসনে হুমায়ুন কবীরের তৈরি দল আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরই ছেলে গোলাম নবি আজাদ। সম্প্রতি ওই আসনে নির্দল প্রার্থী সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাইফুল নির্দল প্রার্থী হলেও নওদা ব্লকের AJUP নেতা। তাঁকে রেজিনগরে ডামি প্রার্থী করা হয়েছিল দল সূত্রের খবর। এই গ্রেপ্তারি নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে রেজিনগরে। হুমায়ুনের অভিযোগ, ভোট কাটাকুটি করে AJUP প্রার্থীকে হারানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।