টানা বৃষ্টিতে তিস্তায় জলস্তর বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের অসংরক্ষিত এলাকা থেকে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। সেই সঙ্গে ভরা তিস্তায় হাতির শাবকের ভেসে যাওয়ার যে ঘটনা ঘটেছিল, তা যাতে আর না ঘটে, সে দিকেই নজর রয়েছে প্রশাসনের।
শুক্রবার সকালে শুধু বৃষ্টিই হয়নি, গজলডোবা তিস্তা ব্যারাজের বেশ কিছু গেটও খোলা রয়েছে। তার জেরে জলস্তর আরও বেড়েছে। তিস্তার ক্রান্তি ব্লকের আপালচাঁদ এলাকা থেকে দোমোহনি পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার জুড়ে নদী সংলগ্ন এলাকায় প্রচুর পরিবারের বাস। সে দিকে প্রশাসনের তরফে নজরদারি চলছে।
গত সোমবার মায়ের সঙ্গে তিস্তার পাড়ে এসেছিল হস্তিশাবকটি। সেই সময়ে কোনও ভাবে জলের তোড়ে সেটি ভেসে যায়। সন্তান হারিয়ে ততক্ষণে পাগলপ্রায় মা তিস্তা নদীর চরেই ছুটে বেড়াচ্ছিল। পরে অবশ্য মাঝিদের তৎপরতায় হস্তিশাবকের প্রাণরক্ষা হয়। বন দপ্তর সূত্রে খবর, গজলডোবার দু’প্রান্তের জঙ্গলে হাতির বিচরণ রয়েছে। ভরা তিস্তা পেরোতে দিয়ে যাতে আবার হাতিরা বিপদে না পড়ে, সে দিকে বাড়তি সতর্কতা রয়েছে।