SIR নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা এখন আতস কাচের নীচে। তাঁকে অপসারণ, তাঁর গ্রেফতারির দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। সেই আবহেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিজিৎ লেখেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সংস্কার জরুরি। কাল দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক। জ্ঞানেশ, ইটস ডান ব্রো’।
অন্য দিকে, সৌরভ জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করছে তারা। এই মুহূর্তে ‘ভারতের গণতন্ত্রকে হাইজ্যাক’ করে নেওয়ার চেয়ে বড় ইস্যু আর কিছু হতে পারে না। তাঁরা সাংবাদিক বৈঠক করে নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবেন। সৌরভ লেখেন, ‘আমাদের ভোট চুরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যেখানে কম্প্রোমাইজ়ড, সেখানে আর কিছুই হওয়ার নেই’।
একদিন আগেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতবিরোধের খবর সামনে এসেছে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যাতে বলা হয়েছে, তিন সদস্যের কমিশনে বাকি দুই কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে গিয়েছেন জ্ঞানেশ। বাংলা এবং গোয়ায় SIR নিয়ে যে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, তাকে ‘বেআইনি’, ‘অননুমোদিত’ বলে উল্লেখ করেন অন্য দুই কমিশন। ১০ মাসে ১৪ বার লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন তাঁরা। মন্ত্রিসভার সচিবকে চিঠিও লেখেন তাঁরা।
বিষয়টি সামনে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা দেশে। বিরোধীরা জ্ঞানেশকে গ্রেফতার করার দাবি তুলছেন। সুপ্রিম কোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপের দাবিও উঠছে। এমন পরিস্থিতিতি গণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীরাও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন। সেই আবহেই CJP ফের রাস্তায় নামার ইঙ্গিত দিলেন।