রেজিনগর থানার সামনে ফের ধরনায় বসলেন নওদার বিধায়ক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন। তার আগে তাঁর দলের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। পুলিশি হুমকি বন্ধ ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হলে, অনির্দিষ্টকালের জন্য ধরনা চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট লুট করে জেতার চেষ্টা করা হচ্ছেও বলে দাবি করেছেন হুমায়ুন। জীবন দিয়েও ভোট লুট আটকাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ছাব্বিশের নির্বাচনে হুমায়ুন নওদা ও রেজিনগর আসেন দাঁড়িয়ে জেতেন। রেজিনগর আসন ছেড়ে দেন। সেখানে তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদকে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু যত কাণ্ড রেজিনগরেই! মমতা তৃণমূল প্রার্থী লড়বেন কী লড়বেন না সেই ‘নাটকে’র পর আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ‘সমস্যা’ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে হুমায়ুনের দলের একের পর নেতা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। নওদার বিধায়কের দাবি, তাঁর দলের একাধিক ব্লক ও রাজ্য স্তরের নেতা-কর্মীকে পুরনো ও মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
সেই গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে আজ, বৃহস্পতিবার রেজিনগর থানার সামনে ধরনায় বসলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, “বিজেপির কথায় পুলিশ আমার কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে বেলডাঙা, রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশ আধিকারীকদের বদলির দাবি জানাছি। কর্মীদের উপর পুলিশি হুমকি বন্ধ ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হলে আগাম নোটিস ছাড়ায় আমি যে কোনও সময় থানার সামনে ধরনায় বসব।”
হুমায়ুনের আরও অভিযোগ, রেজিনগরের ওসি, বিজেপি ও এনসিপির সাংসদ আবু তাহের খানের দালালি করা হচ্ছে। বলেন, “এই দালালি বন্ধ না হলে অনিদিষ্টকালের জন্য ধরনা চলবে। ভোট লুট করে জেতার চেষ্টা করছে। এই ভোট লুট জীবন দিয়েও রুখব আমি।” এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর শক্তিপুর থানার সামনে ধরনায় বসেছিলেন তিনি। এবার বসলেন রেজিনগর থানার সামনে।