কলকাতার: পশ্চিমবঙ্গের শহর থেকে জেলা একাধিক জায়গায় ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে দুর্নীতির ভুরি ভুরি অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিল স্বাস্থ্য দফতর। সেই তালিকায় ছিল, পিপলস ব্লাড ব্যাঙ্ক, অশোক ব্লাড ব্যাঙ্ক ও কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। এদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল স্বাস্থ্য ভবন। দীর্ঘ টানাপড়েনের পর মঙ্গলবার কলকাতার ৩ বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।
৩ টি ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার স্বাস্থ্য দফতরের। হাজরার পিপলস ব্লাড ব্যাঙ্ক, আলিপুরের কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্ক এবং যোধপুর পার্কের অশোক ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিল স্বাস্থ্য দফতর। রক্ত, প্লাজমা পাচার সহ একাধিক বেনিয়মের অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল এই ৩ ব্লাড ব্যাঙ্কের ওপর। কিন্তু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর একাধিক শর্তে মুচলেকা জমা দেয় ব্লাড ব্যাঙ্কগুলি। সরকারের শর্ত মানার পর এবং মুচলেকা জমা দেওয়ার পরই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
কী কী শর্ত মানতে হবে বেসরকারি এই ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোকে ?
কলকাতার তিন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিল স্বাস্থ্য দফতর। হাজরার পিপলস ব্লাড ব্যাঙ্ক, আলিপুরের কোঠারি ব্লাড ব্যাঙ্ক, যোধপুর পার্কের অশোক ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। রক্ত, প্লাজমা পাচার সহ একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ ওঠায় এই ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর উপরে রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর একাধিক শর্তে মুচলেকা জমা দেয় ব্লাড ব্যাঙ্কগুলো। এরপরই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে রক্তদান শিবির থেকে যথেচ্ছ রক্ত সংগ্রহ করতে পারবে না ব্লাড ব্যাঙ্কগুলো। রক্ত সংগ্রহের নির্দিষ্ট সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দফতরের অনুমতি ছাড়া ভিন রাজ্যে পাঠানো যাবে না রক্ত ও প্লাজমা। রাজ্যের ১২ টি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপরে জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। এখনও পর্যন্ত ৫টি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। ৭টি ব্লাড ব্যাঙ্কের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।