অভিষেকের অফিসে ভা.ঙ.চু.র, শমীক বলছেন, 'বিজেপি এই ধরনের প্র.তি.হিং.সা.র রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না'


কলকাতা : অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে সমাজ মাধ্যমে পোস্টও করেছেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, 'বিজেপি কর্মী যদি আক্রমণই করত, তাহলে অনেক দিন আগেই করতে পারত। বিজেপি এই ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করলে ২০২১ সালে এই সরকারটা ক্ষমতায় আসত না। যদি বিজেপির বদলে কেন্দ্রে কংগ্রেসের সরকার থাকত, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেস যে আচরণ করেছে সর্বভারতীয় শাসক দলের সঙ্গে, তাহলে সরকারটা টিকে থাকতে পারত না। এই ধরনের সংস্কৃতিতে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস বিশ্বাস করে, বিজেপি নয়। এই ধরনের কোনও খবর আমার কাছে নেই। যদি এই ধরনের কোনও অফিসে ভাঙচুর চালানো হয় তাহলে বিজেপি তাকে সমর্থন করবে না। কিন্তু কোনটা কার অফিস, কোনটা কার অফিস নয়... সেটাই তো এখন বোঝা যাচ্ছে না। আমি তো জানতাম তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস বাইপাসের উপরে। ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস আছে বলে আমার জানা নেই।'
তৃণমূলের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে উঠেছে ভাঙচুরের অভিযোগ। এই ঘটনায় ৬ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সামনে এনে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় অভিযোগ করেছেন, আজ ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, আজ ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে যা ঘটেছে, তা আইনের শাসনের উপর এক লজ্জাজনক এবং নগ্ন আক্রমণ। ভোর প্রায় ৪টা ৩০ মিনিটে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির গুন্ডারা কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে জোর করে ঢুকে পড়ে। আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়, তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, গোটা অফিস তছনছ করা হয় এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম নষ্ট করে দেওয়া হয়। আর কলকাতা পুলিশ তখন কোথায় ছিল? আমাদের কর্মী এবং আইনজীবীরা বারবার ফোন এবং ইমেল করার পরেও প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে পুলিশের কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। 

Post a Comment

Previous Post Next Post