প্রাক শিক্ষক দিবসে ১০০ কেজি মাংসে মহাভোজ! জলপাইগুড়ির স্কুলে পড়ুয়াদের ‘মিড ডে মিল’ পরিবেশন শিক্ষকদের


মিড-ডে মিলে মাংস ভোজ। জমিয়ে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) সদর প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে। ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস। যার প্রাক উদযাপন উপলক্ষে বুধবার ছাত্রীদের জন্য বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেছিলেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে তারজন্য কম কসরত করতে হয়নি তাদের।
মেনুতে মাংস থাকবে ঠিক ছিল আগেই। কিন্তু ১২০০ ছাত্র-ছাত্রীর জন্য মাংসের পরিমাণও নেহাত কম নয়, ১০০ কেজি! তা কেটে-ধুয়ে রান্না করতেও সময়ের প্রয়োজন। এরজন্য ভোর থেকেই যজ্ঞ শুরু স্কুলে। স্কুল শুরু সকাল ৭ টায়। তবে এদিন হেঁশেলে ব্যস্ততা শুরু হয়েছিল সকাল ৬টায়। একদিকে চলছে রান্না, অন্যদিকে শিক্ষক দিবস সম্পর্কে ছাত্রীদের আলোকপাত করলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সব শেষে খাওয়া-দাওয়া। গরম গরম মাংস আর ভাত। মেঘলা আকাশ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। কবজি ডুবিয়ে তৃপ্তি করে খেল খুদে ছাত্রীরা। খুশি শিক্ষকশিক্ষিকা এমনকি অভিভাবকরাও।
প্রধান শিক্ষিক অরূপ দে জানান, প্রতি বছর শিক্ষক দিবস উদযাপন হয় স্কুলে। এই বছর শিক্ষক দিবস শনিবার হওয়ায় অনুষ্ঠান দু’দিন এগিয়ে আনা হয়েছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রতি বছরই বিশেষ খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা থাকে। ব্যতিক্রম হল না এই বছরও। মাংস বিক্রেতাকে আগেই বলা ছিল। কাকভোরে গিয়ে মাংস কেটে আনা। এরপর ধুয়ে মেখে রান্না বসানো। অরূপবাবু জানান, এদিন রাঁধুনিরা খুব ভোরে চলে এসেছিলেন। সকাল ন’টার মধ্যে একশো কেজি মাংস রান্না শেষ। ততক্ষণে স্কুলে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান পর্ব শেষ। খাবার ঘরে পাত পেড়ে বসে পড়ে ছাত্রীরা। রাঁধুনিদের সঙ্গে এদিন খাবার পরিবেশন করেন শিক্ষিকারাও। বেশ তৃপ্তি করেই খেয়েছে ছাত্রীরা। শ্বেতা মন্ডল নামে এক অভিভাবিকা জানান, স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি সারা বছরই বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়। এতে ছাত্রীরাও সমৃদ্ধ হয়। এদিন অনুষ্ঠান শেষে মিড-ডে মিলও ছাত্রীরা খুবই উপভোগ করেছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post