মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়া এবং একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের মতবিরোধ ইত্যাদি নিয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে, তাঁকে কেন্দ্র করে, জনগণের যে ম্যান্ডেট, যে ম্যান্ডেটে আমরা ২০৮ টি আসন জিতেছে, ওরা দুপক্ষ মিলে, ৮০ টা আসন জিতেছে। ..তাঁরা সেই নির্বাচনকে অস্বীকার করেছে। এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা এসআইআর , ফর্ম সিক্স, সবটা নিয়ে অনেকগুলি প্রশ্ন তুলেছে, সংবাদে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে। ভারতীয় জনতা পার্টির জয় হজম করতে পারছে না..জনগণের রায়কে মেনে নিতে পারছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’, একযোগে বিরোধীদের নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর।
দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটা প্রতিবেদন।তাই ঝড় তুলেছে দেশজুড়ে। ফের বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে মুখ্য় নির্বাচন নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা।যার বিরুদ্ধে অতীতে বারবার বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছেন, তিনি বিজেপির এজেন্ট। তিনি বিজেপির কথায় কাজ করেন। এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম তোলা থেকে নাম বাদ দেওয়া, নতুন ভোটারের নাম তোলার ফর্ম বদল, ভোটার সংক্রান্ত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ সহ নানা বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধ ছিল।
গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিত ভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু বিবেক জোশী।প্রতিবেদন অনুযায়ী কোনও কোনও ক্ষেত্রে দুই নির্বাচন কমিশনারকে না জানিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কোনও কোনও ক্ষেত্রে তাঁদের আপত্তি অগ্রাহ্য় করা হয়েছিল।কোনও কোনও পদক্ষেপকে দুই নির্বাচন কমিশনার ‘অনুমোদিনহীন’ এবং ‘বেআইনি’ বলেও লিখিত ভাবে চিহ্নিত করেছিলেন।
দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ জুলাই মণীশ গর্গকে নির্বাচন কমিশনরের প্রশাসনিক বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।এর কয়েক ঘণ্টার মধ্য়েই মণীশ গর্গ কমিশনের সঙ্গে আলোচনা না করেই এক অফিসারকে সরিয়ে দেন।এরপর কার্যত নজিরবিহীনভাবে দুই নির্বাচন কমিশনার সরাসরি দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক অফিসার ক্য়াবিনেট সেক্রেটারিকে চিঠি লেখেন এবং বলেন 'এটা স্পষ্টভাবে কমিশনের আইনভঙ্গ' এবং 'গর্গের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্য়বস্থা নেওয়া হোক'। এরপর দেশের সব সাধারণ মানুষ কি নির্বাচন কমিশনের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারবে? নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে।