এর পরই সরাসরি 'ভোটচুরি'র অভিযোগে চলে যান মমতা। বলেন, "আমাদের ওখানে ৪০০০ EVM পুড়িয়ে দিয়েছে। কাউন্টিং মেশিনও। ন'তলা বিল্ডিং। আর কোথাও আগুন লাগল না, শুধু EVM যেখানে ছিল। জবরদস্তি বিজেপি-কে জেতানোর মেশিন পুড়িয়ে দিয়েছে। কেমন SIR হয়েছে ভাবুন। জেনেশুনে, বিজেপি-র পরিকল্পনা মাফিক কাজ হয়েছে। মাস্টারমাইন্ড বিজেপি। অভিষেক ডিসেম্বরেই প্রশ্ন তুলেছিল সীমা খান্না সফ্টওয়্যার, AI দিয়ে কাজ করাচ্ছে বলে। ওঁকে কী ভাবে নিয়োগ করা হয়, কী ভাবে ভোটার তালিকার কেন্দ্রীয়করণ হয়েছে, তা নিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়। চিঠি দিয়েছিলেন WBCS অফিসাররাও যে EROদের পুরোপুরি ব্লক করে দিয়েছে।"
পরিসংখ্যান তুলে ধরে এদিন মমতা দাবি করেন, প্রথমে ৫৮ লক্ষ ভোটারকে বাদ দেওয়া হয়। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে বাদ দেওয়া হয়। সেই নিয়ে আইনি লড়াই চলে। এর পর বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১৫০০ মানুষের নামও ফেরানো যায়নি তালিকায়। মমতা বলেন, "নির্বাচন কমিশনকে এতদিন বিশ্বাস করতেন সকলে। অনেক কমিশনার দেখেছি, মিস্টার গিল, টিএন শেষন, মিস্টার কুরেশি, নবীন কুমার। কখনও এমন দেখিনি। আমার নিজের গণনাকেন্দ্রে সব দখল করে নেয়। আমি ১৫ হাজার ভোটে জিতছিলাম। আমাকে মারধরও করা হয়। সিআরপিএফ গেট আটকে দেয়, যাতে ভিতরে ঢুকতে না পারি। এজেন্টদের মেরে বের করে দেওয়া হয়। ব্লক করে দেওয়া হয় সিসিটিভি। কোথায় গেল সিসিটিভ ফুটেজ? ইভিএম হ্যাক করেছে। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছি, সীমা খান্না, জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন এবং গণনাপ্রক্রিয়া হাইজ্যাক করে নেয়। চুরি করে জেতা তথআকথিত জয় হাসিল হওয়ার পর, ভ্যানিশ কুমার মিষ্টি বিতরণ করেন। কখনও এমনটা দেখিনি। বিজেপি-কে সন্তুষ্ট করতেই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেছেন উনি। নির্বাচনের সময় কখনও SIR হওয়া দস্তুর নয়। উনি শাসকদলকে ইনসেন্টিভ পাইয়ে দিয়েছেন। মহারাষ্ট্র, বিহার, হরিয়ানার মতো অনেক জায়গায় হয়েছে। ঝড় আসছে ঝড়। মানুষ জবাব দেবেন।"