মামলায় যুক্ত আইনজীবীদের বড় অংশের দাবি ছিল, বুকস্টল নিয়ে এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল, প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন বনগাঁর বুকস্টল নিয়ে। নৈহাটির বুকস্টল মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়নি এখনও পর্যন্ত। কিন্তু বনগাঁর মামলার অজুহাত দেখিয়ে কলকাতা পুলিশ যে পদক্ষেপের চেষ্টা হয়, তা বেআইনি এবং অনৈতিক।
বুকস্টল ভাঙার মতো কোনও পদক্ষেপ যাতে ভবিষ্যতে না চালাতে পারে পুরসভা এবং পুলিশ, তা নিয়ে আবেদন জানায় সিপিএম। তারা জানায়, প্রতি বছর পুজোয় এই ধরনের বুকস্টল করে আসছে তারা। অস্থায়ী কাঠামোর মধ্যে বুকস্টল তৈরি করা হয়। পুজো কেটে গেলে সরিয়েও নেওয়া হয় বুকস্টলকে। বুকস্টল করার কথা বরাবরই জানানো হয় পুলিশকে। এবারও অধিকাংশ বুকস্টলের কথা জানানো হয়েছিল। তার পরও একাধিক জায়গায় পুলিশের তরফে যে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তার সুরাহা চাওয়া হয় সিপিএম-এর তরফে।
কিন্তু সিপিএম-এর যাদবপুর এরিয়া কমিটির তরফে যে মামলা করা হয়, মঙ্গলবার বিচারপতি রায় সেটি খারিজ করে দেন।