আজ থেকে শুরু গঙ্গাসাগর মেলা। পুণ্যার্থীদের জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। থাকছে কপ্টার অ্যাম্বুল্যান্স। লঞ্চ-ভেসেলে বাড়তি যাত্রী না তুলতে কড়া নির্দেশ।
বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার কড়াকড়ি। থাকছে ১২০০ CC ক্যামেরা। ড্রোন উড়িয়ে নজর রাখবে পুলিশ।
গতকাল মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে মুড়িগঙ্গায় ড্রেজিং, বাড়ানো হচ্ছে গভীরতা। যাতে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত লঞ্চে লোক যাতায়াত করতে পারবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কাল থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে মেলা। আগামী মঙ্গলবার সকাল ৬.৫৮ মিনিট থেকে পরদিন সকাল ৬.৫৮ পর্যন্ত মকর সংক্রান্তি থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সুন্দরবন পুলিশ জেলা, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা এবং কাকদ্বীপে আরও একটি কোস্টাল থানা থাকবে। ৩টি স্থায়ী হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে।
সুলভ মূল্যে কলকাতা-গঙ্গাসাগর হেলিকপ্টার পরিষেবাও মিলবে। কেউ অসুস্থ হলে কপ্টার অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাও দেওয়া হবে।
মেলায় পুণ্যার্থীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য ২২৫০টি সরকারি বাস, ২৫০টি বেসরকারি বাস, ৯টা বার্জ, ৩২টি ভেসেল, ১০০টি লঞ্চ, ২১টি জেটি ব্যবহার করা যাবে। বার্জ, লঞ্চ, জেটিতে জিপিএস ট্র্যাকিং এবং স্যাটেলাইট ট্রেকিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
কোনও ঘটনার মোকাবিলায় ২৫০০ সিভিল ডিফেন্স ও অন্যান্য ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করা হয়েছে। চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
কোনও ঘটনার মোকাবিলায় ২৫০০ সিভিল ডিফেন্স ও অন্যান্য ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করা হয়েছে। চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "এবছর গ্রিন গঙ্গাসাগর মেলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য প্লাস্টিকবর্জিত গঙ্গাসাগর মেলা। এটা অভিনব, কেন্দ্র এতে কোনও সাহায্য করেনি।''