শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় যে ১০টি বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে, সেগুলি হল—
১) আগামী বছর থেকে NEET-UG অনলাইন মোডে হতে পারে। পরীক্ষার্থীদের কম্পিউটারে পরীক্ষা দিতে হবে।
২) OMR শিট পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে। ফলে উত্তরপত্র বদলানো বা কারচুপির সম্ভাবনা কমবে।
৩) প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা হবে। ডিজিটাল এনক্রিপশন এবং বহুস্তরীয় সিকিউরিটি ব্যবস্থা আনা হবে।
৪) পরীক্ষাকেন্দ্র বণ্টনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে যাতে ভুয়ো পরীক্ষার্থী বা সংগঠিত জালিয়াতি আটকানো যায়।
৫) আধার-ভিত্তিক বা বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ আরও কঠোর করা হবে।
৬) পরীক্ষাকেন্দ্রে CCTV নজরদারি এবং লাইভ মনিটরিং বাধ্যতামূলক করা হবে।
৭) প্রশ্নপত্র পরিবহণ ও সংরক্ষণের পুরোনো পদ্ধতির বদলে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সিস্টেম আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
৮) NTA-র কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হবে। পরীক্ষাপদ্ধতি পরিচালনার জন্য আলাদা বিশেষজ্ঞ টিম গঠন করা হতে পারে।
৯) পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য বহু-শিফটে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
১০) পরীক্ষাকে ‘স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য’ করতে কেন্দ্র দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের পথে হাঁটছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের কথায়, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনও দুর্নীতিকে বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করা যাবে না।
NEET-UG 2026 বাতিল হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত যোশী, স্কুলশিক্ষা সচিব সঞ্জয় কুমার, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা National Testing Agency-র ডিরেক্টর জেনারেল অভিষেক সিং, CBSE চেয়ারম্যান রাহুল সিং-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। সেই বৈঠকে মূলত NEET পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, সরকারের ‘প্রথম অগ্রাধিকার’ হলো সম্পূর্ণ নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য উপায়ে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া। একইসঙ্গে আগামীতে পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা হয় বলে সূত্রের দাবি।