সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে?
পুলিশ সূত্রে দাবি, মৃতদেহের পাশে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, 'TRDA-তে জেনারেল মিটিং ছাড়া আর কোনও দায়িত্ব ছিল না। আমি টেন্ডার কমিটিতে ছিলাম না। আমার চেক পাওয়ার ছিল না। আমি প্ল্যান পাস বা নো অবজেকশন সার্টিফিকেট ইস্যুর ব্যাপারেও ছিলাম না। আমাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য যা সব করা হল, তাকে ধিক্কার জানাই। আজ তাই মনে হচ্ছে, রাজনীতিতে আসাটাই ভুল হয়েছে। আমার বংশের ছেলেদের রাজনীতি না করারই পরামর্শ দিচ্ছি। ওরা ওদের নিজ নিজ কাজের মধ্যেই থাক'।
স্থানীয় বাসিন্দা, তৃণমূল কর্মী এবং তাঁর ছাত্রদের একাংশ মুখ খুলেছেন এ নিয়ে। তাঁরা জানিয়েছেন, দুর্নীতির অভিযোগে একেবারে ভেঙে পড়েন আশিস। মনমরা হয়ে পড়েন তিনি। উদ্ধার হওয়া নোটে লেখা রয়েছে, দীর্ঘদিন অধ্য়াপনা করেছেন, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে থেকেছেন, মিশেছেন। কখনও কোনও ছাত্রছাত্রীর থেকে টাকা নেননি। চিঠিতে বার বার করে লেখা রয়েছে, তিনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। চাকরি দুর্নীতি, আর্থিক দুর্নীতি, কারও থেকে টাকা নেওয়া, কোনও কিছুর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না তিনি। টাকার বিনিময়ে কিছু করে দেবেন বলে কখনও কাউকে বলেননি। রাজনৈতিক জীবনে বহু মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু টাকার বিনিময়ে কখনও কিছু করেননি। কলেজে অধ্য়াপনা করার সময়ও কোনও অন্যায় সুযোগ সুবিধা নেননি।
রাজনীতিতে এসে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে নোটে। বলা রয়েছে,পরিবারের কেউ যেন কখনও রাজনীতিতে আসেন। ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পর্ক যেন বজায় থাকে। অর্থাৎ পারিবারিক কোনও সমস্যা যে ছিল না, তা বোঝা যাচ্ছে। চিঠির একেবারে শেষে লেখা রয়েছে, তাঁর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।