বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সব বিষয়েই ‘নো নো নো’ বলত। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটেনি। তারা সব ব্যাপারেই ‘হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ’। শনিবার রামপুরহাটে প্রশাসনিক সভার আগে তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপি সরকার উন্নয়নের ব্যাপারে সদর্থক ভূমিকা পালন করবে।
তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যা নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে। ডেউচা পাঁচামির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব হবে।’ এর পরেই আগের সরকারকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘আগের সরকারের সব বিষয়ে ছিল ‘নো, নো, নো’ এই সরকারের সব বিষয়ে ‘‘হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ’।
মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা প্রশাসনিক সভায় গিয়েছেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় এবং বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল। রাজ্যে পালাবদলের পরে তৃণমূলের যে ২০ জন লোকসভার সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন, তাঁদেরই অন্যতম শতাব্দী এবং অসিত। শতাব্দী বলেন, ‘উন্নয়ন সংক্রান্ত আট প্রস্তাব আছে আমার কাছে। সুযোগ পেলে সেগুলো প্রশাসনিক বৈঠকে জানাব মুখ্যমন্ত্রীকে।’ অসিতও বলেন, ‘আমারও কিছু কথা বলার রয়েছে। ২-৩ মিনিটও যদি সময় পাই, বলব।’ শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে থাকার কথা হাসনের তৃণমূল বিধায়ক কাজল শেখেরও।