ওএনজিসি সূত্রে খবর, বর্তমানে ওই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ২০ কিউবিক মিটার ক্রুড অয়েল উৎপাদন হচ্ছে। কূপ থেকে জল মিশ্রিত অবস্থায় ওঠা তেল সেপারেটর ও ইটিপির মাধ্যমে পরিশোধনের পর রিফাইনারিতে পাঠানো হচ্ছে। এর আগে একটি কূপে উৎপাদন শুরু হলেও প্রযুক্তিগত সমস্যায় তা থমকে যায়। সেই সমস্যা মিটিয়ে ফের উৎপাদন শুরুর পাশাপাশি নতুন করে অনুসন্ধান চালিয়ে এলাকায় আরও তেলের সম্ভাবনাও মিলেছে। ওএনজিসির ডিরেক্টর অব এক্সপ্লোরেশন ওম প্রকাশ সিনহা বলেন, “অশোকনগর এরিয়াতে আমরা আগে যা ভাবছিলাম, তার চেয়ে বেশি তেল মজুত রয়েছে। নতুন কূপে উৎপাদন ভালো হওয়ায় আগামী দিনে তা আরও বাড়বে।” সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এলাকায় আরও পাঁচ-ছ’টি কূপ খননের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওএনজিসি।
বিধায়ক সুময় হীরা বলেন, “অশোকনগর থেকে প্রতিদিন এক থেকে দু’টি ট্যাঙ্কারে তেল হলদিয়ার দিকে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।” তেলক্ষেত্রের পরিধি বাড়লে স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে বলে তাঁর দাবি। জমি সংক্রান্ত জটিলতাও অনেকটাই মিটেছে বলে জানান তিনি। প্রসঙ্গত, অশোকনগরের বাইগাছিতে ২০১৮ সালে প্রথম তেলের সন্ধান মেলে। ২০২০ সালে পরীক্ষামূলক উত্তোলনে একটি কূপ থেকে প্রায় ৩৭৫ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পাওয়া যায়। তেলের মানের বিচারে বম্বে হাইওয়ের সঙ্গে তুলনীয় বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।