সম্প্রতি জইশ ই মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। তাঁকে জেরা করে আরও এক সঙ্গীকে পাকড়াও করা হয়েছে। হামিম হাওড়ার পিলখানা এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রেখে সেসব তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল হামিমের কাজ! ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই এবার আইএসআই জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হল এই রানা রাউফকে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে এই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। খাস কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বেশ কয়েক মাস ধরেই সে থাকছিল। পাকিস্তানের এই যুবক বাংলায় থাকার জন্য এদেশের নকল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করেছিল। কলকাতারই এক ব্যক্তি তাকে এই নকল আধার-ভোটার কার্ড করে দেয়। তাকেও গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রানা ছুতোর মিস্ত্রির কাজ করত এলাকায়। নকল পরিচয়পত্রে পাওয়া এই নামও আসল নয় বলেই প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। কিন্তু কলকাতায় ঘাঁটি তৈরি করার আসল উদ্দেশ্য কী? গুপ্তচরবৃত্তি করে তথ্য পাঠানোই কাজ ছিল ধৃতের! এখন অবধি কী কী তথ্য সে জোগাড় করে বাইরে পাঠিয়েছে? সেইসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ধৃতের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ছিল? ফোনের মাধ্যমে কাদের সঙ্গে কথা বলত রানা? কোন কোন বাইরের নম্বর থেকে ফোন আসত? বাইরে কাদের ফোন করা হত? সেইসব তথ্যও ধৃতকে জেরা করে পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রানা নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে কলকাতায় এসেছিল। কিন্তু বনগাঁয় গিয়েছিল কেন সে? তাহলে কি হামিম গ্রেপ্তারির পরে বাংলাদেশে পালানোর ছক কষছিল সে? সেইসব তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে এসটিএফ।