ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে অভিষেককে হাজিরার নোটিস, পাল্টা পুলিশকে ইমেল অভিষেকের আইনজীবীর


কলকাতা : ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে হাজিরার নোটিস, পাল্টা পুলিশকে ইমেল অভিষেকের আইনজীবীর। পুলিশের নোটিস নিয়ে প্রশ্ন তুলে পাল্টা ইমেল অভিষেকের আইনজীবীর। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে পুলিশকে ইমেল অভিষেকের আইনজীবীর। 'BNS-এর ৩৫ ধারায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। BNS-এর ৩৫ ধারায় হাজিরার নোটিসের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগপত্র পুলিশের ওয়েবসাইটে আপলোড করার কথা। এ ক্ষেত্রে অভিযোগপত্রের কপি পুলিশের ওয়েবসাইটে আপলোড হয়নি', পুলিশকে ইমেল তৃণমূল সাংসদের আইনজীবীর। ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার সমন। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় অভিষেককে শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজিরার নির্দেশ। 

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে তৃণমূলের বিলবোর্ড খোলা ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার ঘটনায় মঙ্গলবার বেলা ১২টায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল পুলিশ। শনিবার রাতে শেক্সপিয়ার সরনি থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালিঘাট রোডের বাড়িতে যায় নোটিশ দিতে। বৃহস্পতিবারের ঘটনার জেরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে শেক্সপিয়ার সরণি থানা ও কলকাতা পুরসভার তরফে জোড়া FIR দায়ের করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় , ডেরেক'ও ব্রায়েনদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার 121(1) ধারায় কর্তব্যরত পুলিশকর্মী ও সরকারি কর্মীদের আঘাত করে কাজে বাধা দেওয়া, ৭৪ নম্বর ধারায় শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে আক্রমণের মতো জামিন অযোগ্য ধারার পাশাপাশি একাধিক ধারায় FIR করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলার ঘটনায় শুক্রবার ১৩ জন ও শনিবার ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন ধৃতদের সঙ্গে দেখা করতে যান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় । যদিও দেখা হয়নি। এবার সেই ঘটনাতেই আগামী মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল কলকাতা পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার ৯ ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের যে অফিস রয়েছে তার ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিল বোর্ড খুলতে যায় কলকাতা পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। পুরসভার অভিযোগ এই বিল বোর্ড অবৈধ। সেদিন অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের ঢুকতে প্রথমে বাধা দেওয়া হয় পুলিশ ও পুরকর্মীদের। এরপর অফিসের ভিতর তারা ঢুকলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় চোখের নিমেষে। পুলিশকর্মী এবং পুরকর্মীদের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল বচসা হয়। অফিসের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও পুরকর্মীদের ধস্তাধস্তিও হয়। সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের বাধা দেন ডেরেক ও'ব্রায়েন, এমন অভিযোগও উঠেছে। তবে শেষ পর্যন্ত সব বাধা পেরিয়ে বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে বিল বোর্ড খুলে দেয় পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশকর্মীরাও। 

Post a Comment

Previous Post Next Post