চারদিন ধরে খোঁজ নেই, নেপালে কী অবস্থায় রয়েছেন শুভ্রাংশুর স্ত্রী? মুকুল রায়ের বাড়িতে ঋতব্রতরা


কেটে গিয়েছে চার চারটি দিন। কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন, আদৌ নিরাপদ রয়েছেন কি না – এত প্রশ্নের একটিরও জবাব নেই। নেপাল বেড়াতে যাওয়া বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী তথা প্রয়াত রাজনীতিক মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের একটিও খবর না পেয়ে চরম উদ্বেগে পরিবার। শনিবার চিন্তিত শুভ্রাংশু ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে গেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেখান থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত জানালেন, যদি চিন সীমান্ত পেরিয়ে যেতে পারেন শর্মিষ্ঠা, তাহলে নিরাপদ। নাহলে যথেষ্ট চিন্তার কারণ রয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন, নিখোঁজদের প্রত্যেকের খোঁজ পেতে সরকার সবরকম ব্যবস্থা করছে।

জানা গিয়েছে, গত ২১ আগস্ট এক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। আসল উদ্দেশ্য ছিল, মানস সরোবর যাত্রা। বাড়িতে শুভ্রাংশু-শর্মিষ্ঠার দুই ছোট সন্তান রয়েছে। তাদের স্বামীর কাছে রেখে একাই তীর্থযাত্রায় গিয়েছিলেন মুকুল রায়ের পুত্রবধূ। কিন্তু গত ২৬ আগস্ট নেপালে জোড়া প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই আর তাঁর খোজ মেলেনি। কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। শুক্রবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিখোঁজ পরিবারগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। তাতে যোগ দেন শুভ্রাংশু ও তাঁর মেয়ে। মুখ্যমন্ত্রী শর্মিষ্ঠাদেবীকে নিয়ে আশ্বাস দেন। প্রয়োজনে নেপাল দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। কিন্তু তারপরও এতটা সময় কেটে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে বই কমেনি।

এনিয়ে শনিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে শুভ্রাংশু বলেন, “যার যায়, সে-ই তো সবচেয়ে ভালো বোঝে। আমার স্ত্রী আজ মিসিং। চারদিন হয়ে গেল, ২৬ তারিখ থেকে কথা হচ্ছে না, কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ও মানস সরোবর দর্শন করতে গিয়েছিল। ৭ সেপ্টেম্বর ফেরার কথা ছিল। যতক্ষণ না একটা খবর পাচ্ছি, উৎকণ্ঠা তো থাকবেই।”

Post a Comment

Previous Post Next Post