‘যাদবপুর ক্যাম্পাসে কেন আজাদি স্লোগান ওঠে?’ এই প্রশ্নও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর কথায়, ‘যাদবপুরের আর্টস বিভাগের হস্টেলের দেওয়ালে ভারতকে ছোট করে কার্টুন আঁকবেন? বাজনা বাজাতে বাজাতে বলবেন ‘আজাদি’? কেয়া আজাদি! ১৯৪৭–এর ১৫ অগস্ট আজাদি হয়ে গিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কথার প্রতিধ্বনি করে বলি––এরা দিমাগি নকশাল। এদের যাঁরা সাপোর্ট করছেন, তাঁদের কাউকে বিজেপি সরকার ছাড়বে না।’
যাদবপুরে রাখি বন্ধনের দিন মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি প্রসঙ্গে তৃণমূলের কালীঘাট শিবিরের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’––এমন স্লোগান আমরা সমর্থন করি না। কিন্তু সে দিন যারা ক্যাম্পাসে হামলা করেছিল, তাঁদের কেন শুভেন্দু গ্রেপ্তার করছেন না? দেশপ্রেম থেকেই রাখিবন্ধন উৎসব শুরু হয়েছিল। বিজেপি নেতারা গত বছর কেন রাখি পরেননি?’ শুভেন্দুর বক্তব্য নিয়ে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য, ‘কিষেণজির বাহিনী তো সিপিএমের কর্মীদের খুন করেছিল। উনি তৃণমূলনেত্রী মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চেয়েছিলেন। সেই সময়ে তৃণমূলের নেতা ছিলেন শুভেন্দু। উনি সেটা ভুলে গিয়েছেন? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা বলেন, তাঁরাই দেশ বিরোধী।’ এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, ‘যাদবপুর ক্যাম্পাসে হামলাকারীদের প্রতি শাসক দলের মদত রয়েছে, তাই এখনও অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি।’