আজ মঙ্গলবার বিশ্ব গন্ডার দিবসের অনুষ্ঠানে উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আলিপুরদুয়ারের সুভাষিণী চা বাগানের মাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। জলদাপাড়ার পিলখানায় থাকা দুই হস্তী শাবকের নামকরণও করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও উত্তরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সোমবার গঙ্গাজল ছিটিয়ে ওই সভাস্থান শোধন করেছেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এই মাঠেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করেছিলেন। সেজন্য পালাবদলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আসার আগে এই মাঠ শোধন করা হল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে সোমবার সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে শেষ প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন প্রশাসনিক কর্তারা। ছিলেন আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক ময়ূরী ভাসু, জেলা পুলিশ সুপার অমিতকুমার সাউ, জেলা বিজেপির সভাপতি মিঠু দাস, সাংসদ মনোজ টিগগা-সহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী। হাসিমারার সুভাষিণী চাবাগানের মাঠে বিশ্ব গন্ডার দিবস উদযাপন করবে বন দপ্তর। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জলদাপাড়ার কুনকি হাতিদের পরিবারে দুই খুদে সদস্য এসেছে। তাদের এখনও নামকরণ হয়নি। অতীতে দেখা গিয়েছে, কোনও বন্যপ্রাণীর নামকরণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। সেক্ষেত্রে এবার এই দুই হস্তী শাবকের নাম দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এছাড়াও বন দপ্তরের কাছে মৃত বন্যপ্রাণীর দেহাংশ জমা হয়ে রয়েছে। এদিন সেগুলিও পুড়িয়ে নষ্ট করা হবে বলে খবর। বন দপ্তরের প্রদর্শনীও দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় মূর্তি নদীর উপর নবনির্মিত একটি সেতুও উদ্বোধন করার কথা তাঁর। অনুষ্ঠান শেষে হাসিমারা সেনা ছাউনি থেকে ফের আকাশপথে কলকাতায় ফিরবেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভাস্থলে গিয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ বলেন, “দুপুরের পর অনুষ্ঠানে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী। জলদাপাড়ার দুই হস্তি শাবকের নামকরণ করবেন তিনি। এছাড়া বন দপ্তরের কাছে থাকা মৃত বন্যপ্রাণীর দেহাংশ পুড়িয়ে নষ্ট করার অনুষ্ঠানেও থাকবেন তিনি। বন দপ্তরের প্রদর্শনী দেখবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এক গুচ্ছ অনুষ্ঠান রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এটা আমাদের কাছে খুবই গর্বের যে ১১ দিনের ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী এই জেলায় দু’বার আসছেন। ২ অক্টোবর ফের বক্সাতে বাঘ ছাড়ার অনুষ্ঠানেও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।”