ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা মন্দারমণিতে। সমুদ্র স্নানে নেমে মৃত্যু হল ২ জনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালকও। নিখোঁজ আরও একজন। তাঁর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। উপকূল এলাকায় চলছে পুলিশ-প্রশাসনের মাইকিং। তবে গভীর নিম্নচাপের কারণে উত্তাল সমুদ্র। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও বাধ সাজছে উদ্ধারকাজ। যদিও এরমধ্যেও স্পিড বোটের সাহায্যে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। তবে এই ঘটনার পর উপকূল এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। সমুদ্রের ধারেকাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না কোনও পর্যটককে।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে মন্দারমণির ৩ নম্বর ঘাটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট ৮ জন মন্দারমণি আসেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল এবং বৃষ্টি শীল। ওই ৮ জনের মধ্যে ছিল এক নাবালকও। নাম সোমনাথ হালদার। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সবাই স্নান করছিলেন। হঠাৎ করে জোয়ারের টানে তিনজনই গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যান। ঘটনার প্রায় দীর্ঘক্ষণ পর বছর দশের সোমনাথকে একেবারে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয় মানুষজন। দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সোমনাথের বাবা সন্তু হালদার বলেন, ”ছেলে একেবারে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। আমি কিছুটা দূরে এগিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সময়ে সমুদ্র উত্তাল ছিল। আমি তাড়াতাড়ি ফিরে এসে দেখি ছেলে নেই। তলিয়ে গিয়েছে। খোঁজ শুরুর কিছু সময় পরে ওকে উদ্ধার করা হয়।” ছেলেকে হারিয়ে একেবারে শোকে বিহ্বল বাবা। অন্যদিকে সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। কিন্তু এখনও নিখোঁজ সুমন। তাঁর খোঁজেই চলছে তল্লাশি।