৮ দিন ধরে নেপালে নিখোঁজ, এবার DNA স্যাম্পেল দিয়ে খোঁজার চেষ্টা মুকুল পূত্রবধূ শর্মিষ্ঠাকে


নেপালে নিখোঁজ মুকুল রায়ের বউমা শর্মিষ্ঠা রায় ভৌমিক। হড়পা বানের পর ৮ দিন পার। এখন পর্যন্ত কোনও খবর নেই। স্ত্রী খোঁজ পেতে এবার শর্মিষ্ঠার ছবি ও নেপাল ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য দিয়েফেসবুকে পোস্ট দিলেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। সঙ্গে ফোন নম্বরও। তাঁর আবেদন, 'যদি কারও কাছে কোনও তথ্য বা নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকা, স্থানীয় হাসপাতাল, উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে, অবিলম্বে আমাকে জানান'।
একাই ঘুরে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। গত  ২১ তারিখ একটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে নেপাল রওনা হন তিনি।  ২৫ তারিখ রাতে স্ত্রীর সঙ্গে শেষবার কথা হয় শুভ্রাংশুর। পরের দিন ২৬ তারিখ সকালে  নেপালে চিন-তিব্বত সীমান্তে আছড়ে পড়ে হড়পা বান। তারপর থেকেই আর তাঁর কোনও খোঁজ নেই শুভ্রাংশুপত্নী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের। নানাভাবে চেষ্টা করে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। চরম উৎকণ্ঠায় রায় পরিবার।

শুভ্রাংশু ও শর্মিষ্ঠার দুই ছেলে-মেয়ে।  ভিডিয়ো কনফারেন্সে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  শুভ্রাংশুর দুই ছেলেমেয়েকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। নেপালে নিখোঁজ পর্যটকদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করছে রাজ্য সরকার ও পুলিস। নমুনা পরীক্ষা করা পাঠানো হবে নেপালে। একইভাবে খোঁজ করা করা হবে মুকুল রায়ের পুত্রবধূরও।

এদিকে হাওড়া থেকে যে ট্রেনে কাঠমান্ডুতে যান শর্মিষ্ঠা, সেই ট্রেনেই ছিলেন   বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা সন্দীপ দেব।  সময়ের সামান্য হেরফে বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। ন্দীপের দাবি, একদিন আগে বেরিয়ে পড়ায় বড় বিপদে পড়েছেন শুভ্রাংশু রায়ের স্ত্রী।  জানান, 'শর্মিষ্ঠাদের দলটি ভিসা পেয়ে দিয়েছিল। ফলে একদিন আগেই তাঁরা রওনা দেন। ফলে ২৫ তারিখেই চিন সীমান্তের কাছে ইমিগ্রেশন পয়েন্টে পৌঁছে যান শর্মিষ্ঠারা। হড়পা বানে ওই এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। রাক্ষুসে স্র্রোত ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে সবকিছু'।

Post a Comment

Previous Post Next Post