সংসদে ফের ধাক্কা মমতা তৃণমূলের। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রদবদলে তৃণমূলের হাতছাড়া হল দু’টি গুরুত্বপূর্ণ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানের পদ। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরলেন তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে।
অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হল তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী। রাজ্যসভা চেয়ারম্যান ও লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরেই এই রদবদল। ফলে এক দিকে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান পদ হারাল তৃণমূল, অন্য দিকে দলেরই বিদ্রোহী শিবিরের কাকলিকে চেয়ারম্যান করা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক তাৎপর্য তৈরি হল।
ছাব্বিশের ভোটে দলের ভরাডুবির পরই সদলবলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন অধিকাংশ সাংসদ। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানান। সেইমতো সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের আসন অদলবদলও হয়। সুদীপ-কাকলিদের সামনের সারিতে এনে পিছিয়ে দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়দের। সেটাও কালীঘাটের জন্য বড় ধাক্কা ছিল। এবার ফের সংসদীয় কমিটিতে ধাক্কা খেল কালীঘাট।
এমনিতে এই মুহূর্তে এনসিপিআই সাংসদদের সদস্যপদ বিষয়টা সার্বিকভাবে বিচারাধীন। কেন তাঁদের সাংসদ পদ বাতিল হবে না? এই প্রশ্নের জবাব দিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এর মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে।