তারপরই তিনি বলেন, যে ২০ জন সাংসদ তৃণমূল ত্যাগ করেছেন, সেই ২০ জন সাংসদের পদ খারিজ করিয়েই তিনি দেখাবেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "আমি একটা জিনিস বলছি, যারা এতদিন সততার সঙ্গে দল করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ভালবেসে তৃণমূল কংগ্রেস করেছেন, তাঁরাই আজ এখানে আছেন। যাঁরা চুরি, জোচ্চুরি করেছে সব চোরগুলো একসঙ্গে পাল্টি খেয়ে চলে গিয়েছে। সেই পাল্টি খাওয়াটাও দেখব। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি আপনাদের, আমি ২০ জন সাংসদের পদ খারিজ করে দেখিয়ে দেব। দেখাবই আমি দেখাব। আমি বারবার বলেছি, আর আগামী ১ বছরে মধ্যে এই ২০ টা সিটে আবার নির্বাচন করে আবার দেখিয়ে দেব। দেখব শুভেন্দু অধিকারীর কত বড় ক্ষমতা আছে। তাকে ছাড়া নেই।"
তারপর শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্ধৃত করে শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, "আপনি একটা বিরোধী দলনেতা বানালেন। কেমন তার স্টেটাস থেকে নামিয়ে দিয়ে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা করে দিলাম, দেখলেন তো? এবার আজ এই মঞ্চ থেকে বলে যাচ্ছি, বিরোধী দলনেতা শুধু অস্থায়ী নয়, ওদের দিন ঘনিয়ে এসেছে। বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকে রাখবেন। একবার চেষ্টা করে দেখুন। পশ্চিমবঙ্গে এই তৃণমূল কংগ্রেস কী করতে পারে দেখে যান।"
তবে শুধু সাংসদ নয়, শিবির বদল করা বিধায়কদেরও তিনি দেখে নেবেন বলে হুংকার দেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আপনি ভয় দেখলে ভয় পাওয়ার লোক আমরা নয়। জেলে ঢোকালে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বলব। ২০ টাকে দিয়ে শুরু করেছি, এখানে ওই ৬০ টারও খুব তাড়াতাড়ি শুরু করে দেব।"
এরপর তিনি দুটো চ্যালেঞ্জ রাখেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশ্য। শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন,"ভবানীপুর গণনার সিসিটিভি আপনি বাংলার পাবলিককে একবার দেখিয়ে দিন। আর তার সঙ্গে ওই ভবনীপুরের রিকাউন্টিংটা হয়ে যাক, এটাই আমার প্রথম চ্যালেঞ্জ। আর আপনি বেলা ৩ টের সময় 'বন্দেমাতরম' করবেন তো? একা বেলা ৩ টেয় বন্দেমাতরমের ৪ টে পঙতি গান করে শুনিয়ে দিন।"