বিষয়টা ঠিক কী? রাজ্যের গ্রন্থাগার বিষয়ক মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ সম্প্রতি দাবি করেন, রবীন্দ্র রচনাবলীর ১৮টি খণ্ড এবং সঞ্চয়িতা-সহ বিধানসভার গ্রন্থাগারের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯টি বই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) জিম্মায় রয়েছে। সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও ওই বই তিনি ফেরত দেননি। বিধানসভার গ্রন্থাগারের কর্মীরা নাকি মমতার সঙ্গে যোগাযোগও করেন। কিন্তু তিনি জানিয়ে দিয়েছেন বইগুলি তাঁর কাছে বা বাড়িতে নেই। রয়েছে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট চেম্বারে। যে দপ্তর কিনা এখন শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। সমস্যা হল, বইগুলি বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে থাকলেও খাতায় কলমে সেগুলি ‘ফেরত’ হিসাবে ততক্ষণ গণ্য হবে না যতক্ষণ সেগুলি গ্রন্থাগারে ফিরে না আসছে।
এক্ষেত্রে কী শাস্তি হতে পারে মমতার? গ্রন্থাগার মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফেরত না দিলে একজন সাধারণ পাঠকের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন সরব হলেন মমতা। তাঁর দাবি, এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। এদিন ক্যাথিড্রাল রোডের সভা থেকে তিনি বলেন, “মিথ্যে অভিযোগ করবেন না। আপনাদের কাছে প্রমাণ আছে? আমি নিজে বই লিখি। চাইলে একটা গোটা লাইব্রেরি করে দিতে পারি।”