ইন্দাসের ওই ঘটনায় এফআইআর দায়েরের পরই পুলিশ অ্যাকশনে নামে। অভিযুক্ত সন্দেহে মোট আটজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে একজন বিজেপি নেতা। এই ঘটনায় বিজেপির যোগ রয়েছে বলে অভিযোগও উঠেছে। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন, বিজেপি নয়, দুষ্কৃতীদের কাজ এটা। খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে। আইনের শাসন চলছে। দোষীরা যথাযথ শাস্তি পাবেই।
তারপরও অবশ্য শেখ মাফিকের মৃত্যুতে গেরুয়া শিবিরের যোগ মুছে যায়নি। এনিয়ে বিশেষ করে সরব বামপন্থীরা। এসএফআই রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেছেন, এক যুবক স্কুল সংস্কারের দাবিতে কাজ করছিলেন বলে তাঁর পরিবারের উপর বিজেপির গুন্ডারা আক্রমণ করেছে এবং তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে। এটা পরিকল্পিত খুন। স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস করতে চায় বিজেপি। তাই সোমবার রাজ্যজুড়ে পথে নামছে এসএফআই। পথের লড়াই জারি থাকবে।
এদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থক আবদুল হাফিজ কাজ করতে গিয়ে এভাবে পিতৃহারা হওয়ায় তাঁর পাশে দ্রুত দাঁড়াতে যাচ্ছে সিজেপি প্রতিনিধিদল। সোমবারই দলের অন্যতম মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন বাঁকুড়া পৌঁছচ্ছেন। ভিডিও বার্তায় আশুতোষ জানিয়েছেন, দেশজুড়ে স্কুল পরিকাঠামো উন্নয়ন করার যে বড় লড়াই তাঁরা করছেন, তাতেই শামিল হয়েছেন ইন্দাসের আবদুল হাফিজ। তাঁকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়া দলের দায়িত্ব। সেই উদ্দেশেই বাঁকুড়া যাবেন তাঁরা।