বুলিং নিয়েও কড়া অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্কুল। অভিভাবকদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হবে। স্কুলের কোন কোন জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে এবং কী ভাবে তা প্রতিরোধ করা যায়, সে ব্যাপারে আরও নজরদারি বাড়ানো হবে বলে স্কুল সূত্রে জানানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় কোনও রকম আপস করা হবে না বলে বৈঠকে আশ্বাস দিয়েছেন অধ্যক্ষ জয়দেব ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘সাম্প্রতিক ঘটনা পড়ুয়াদের মনে প্রভাব ফেলেছে। সে জন্য আমরা মাস কাউন্সেলিংয়ের কথাও ভেবেছি।’
স্কুলের ভিতরে প্রতিটি তলায় নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি স্কুলের বাইরের রাস্তায় নজরদারিতে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নেওয়া হবে। পড়ুয়াদের মধ্যে যাতে অযথা ভয় বা উদ্বেগ তৈরি না হয়, সে কথা মাথায় রেখে সাধারণ পোশাকের পুলিশকর্মী ও স্কুলের নিজস্ব ম্যানেজমেন্ট টিম যৌথ ভাবে স্কুলের আশপাশে নজরদারি করবে। পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পড়ুয়ারা যাতে কাউন্সেলরের সাহায্য নিতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। যদিও দু’জন কাউন্সেলর ও একজন স্পেশাল এডুকেটর বর্তমানে আছেন।
বৈঠক শেষে স্কুলের পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকদের একাংশ। পড়ুয়াদের বয়ঃসন্ধিকালীন নানা সমস্যা নিয়েও সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে স্কুল। লাইফ স্কিলের উপরে জোর দেওয়া হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষে নতুন ক্যাম্পাসে স্কুল স্থানান্তরিত হলে সেখানে লাইফ স্কিল ল্যাবরেটরি তৈরি করা হবে বলেও বৈঠকে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের মানসিক চাপ সামলানো, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিভিন্ন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়ে সাহায্য করা হবে। শিক্ষকদের জন্যও বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।