উপনির্বাচনে প্রচারের শেষ দিন নন্দীগ্রামে শুভেন্দু
নন্দীগ্রাম মানেই শুভেন্দুর কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ। আর সময় নেই। আজই প্রচার শেষ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। শুভেন্দুর বিশ্বাস এবার লক্ষাধিক ভোটে জিতবে নন্দীগ্রাম থেকে। ৯ অক্টোবর ভোটগণনা হবে দুই কেন্দ্রেই। শেষদিনে নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে দুটি পদযাত্রা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শেষ প্রচারের ঝড় তুলতে সকালে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের টেঙ্গুয়া থেকে থানা মোড় পর্যন্ত ও বিকেলে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের রাজারামচক থেকে মিরের বাজার পর্যন্ত পদযাত্রা মুখ্যমন্ত্রীর। মিছিলে কয়েক হাজার বিজেপি কর্মী ছাড়াও সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর সুর প্রতিধ্বনি করে এদিনও বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, সর্বকালীন রেকর্ড মার্জিনে হাসিরানি রথ জিতবেন। গত পাঁচমাসে নন্দীগ্রাম তথা রাজ্যে যে বিপুল পরিমাণ কর্মযজ্ঞ শুভেন্দু-সরকার শুরু করেছে, তাকেই হাতিয়ার করে মানুষের কাছে ভোট চাইছে বিজেপি। দুই কেন্দ্রেই শনিবার শেষলগ্নের প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন শাসক বিজেপি ও বিরোধী দলের প্রার্থীরা।
রেজিনগরে কংগ্রেস প্রার্থী কাফির সমর্থনে প্রচারে অংশ নেন প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী। অন্যদিকে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের সমর্থনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের নেতৃত্বে হরিপুর থেকে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত বিশাল র্যালি হয়। প্রায় সাত কিলোমিটার এই র্যালিতে স্থানীয় বহু কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি রাজ্য নেতত্ব অংশ নেন। ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের দুই সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, অর্ঘ্য গণ, সৌরভ প্রসাদ, শুভাশিস ভট্টাচার্য, রণজিৎ মুখোপাধ্যায়রা। নিজের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের ঘোষণা করলেও তাঁর দলের কেউ প্রচারে আসেননি।